1. admin@prothomaloonlinenews.com : admin :
আজ সাতক্ষীরা যাচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আফম রুহুলসহ জেলা আ.লীগের সহসভাপতি ড. কাজী এরতেজা হাসান - জয় বাংলার জয়
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

শিঘ্রই ম্প্রচারে আসছে রিয়ান টেলিভিশন। ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ বাংলা টেলিভিশন "রিয়ান" টেলিভিশন। ‌'দেখিয়ে দাও বাংলাদেশ' স্লোগানকে সামনে রেখে সিঙ্গাপুর, লন্ডন, নিউইয়র্ক ও ঢাকা থেকে চারটি আলাদা বেজ-স্টেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে চ্যানেলটি ♦ ঈদ মানে আনন্দ, তবে আমার জন্য না! যেমন আমার ঈদের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে সে.....

ব্রেকিং নিউজ :
অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে ভোরের পাতা সম্পাদক কাজী এরতেজা হাসানের শোক ‘অর্থের বিনিময়ে কোথাও যুবলীগের কমিটি দেওয়া হবে না’ : শেখ ফজলে নাইম যুবলীগে কোনো সন্ত্রাস-মাস্তানের ঠাঁই হবে না: ব্যারিস্টার নাঈম শেখ ফজলে নাঈমের আগমনকে কেন্দ্র করে করে বর্ণিল আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া তোমরা সু শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করবে : নিখিল তিন ছাত্রলীগ নেতার সহযোগীতায় আটক হন অভিযুক্ত ইকবাল কু’ নাম দিয়ে আমি কোনো বিভাগ দেবো না, মেঘনা নামে বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী মানবিক যুবনেতা বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র শেখ নাঈম যুবলীগ চেয়ারম্যানের নম্বর ক্লোন করে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ২ তারুন্যের অহংকার যুবলীগ নেতা ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম

আজ সাতক্ষীরা যাচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আফম রুহুলসহ জেলা আ.লীগের সহসভাপতি ড. কাজী এরতেজা হাসান

  • প্রকাশকাল: শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: উপমহাদেশের প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার বর্তমান কমিটির প্রথম সভা আজ শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা কামালনগরস্থ লেকভিউতে সকাল ১০টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এ সভা শুরু হবে বলে দলটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। সভা শেষে দলীয় নেতাকর্মীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায় আজকের সভায় শুধুমাত্র বর্তমান কমিটির পরিচিতি তুলে ধরা হবে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ম-লীর সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক-এমপি। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একে ফজলুল হকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: নজরুল ইসলামের সঞ্চলনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এসভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সাতক্ষীরা মহাকুমা মুজিব বাহিনীর প্রধান ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান এবং বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক জেলা আহবায়ক এবং সাবেক সংসদ সদস্য বিএম নজরুল ইসলাম উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির প্রথম পরিচিতি সভাকে কেন্দ্র করে দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে নতুন কমিটির কাছে ব্যক্ত করেছেন বুকভরা প্রত্যাশা। দলের নেতাকর্মীরা জানান, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের রয়েছে গৌরব গাঁথা ইতিহাস। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা আন্দোলন, আটষট্টির গণআন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, নব্বইয়ের গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনে সাতক্ষীরা ইতিহাস-ঐতিহ্য গৌরবের। কিন্তু উপমহাদেশের প্রাচীন দল হলেও সাতক্ষীরায় নেই আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়। দলীয় সূত্রমতে, ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা মহাকুমা থাকাকালে দলটির একটি জেলা কার্যালয় ছিল। শহরের নাজমুল সরণীস্থ আহসানিয়া মিশন সংলগ্ন এলাকায় ছিল মহাকুমা আওয়ামী লীগের কার্যালয়। সাতক্ষীরা জেলা হিসেবে আত্ম প্রকাশ করলে সেই কার্যালয়টি বিলুপ্ত হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘদিন ধরে জেলা আওয়ামী লীগের নির্দিষ্ট কোন কার্যালয় দেখা যায়। তবে দলটির সাংগাঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে কারো বাড়ি থেকে অথবা কারো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাতক্ষীরায় আগমনকে সামনে রেখে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক এর গেট সংলগ্ন ফাঁকাস্থানে রাতারাতি একটি কার্যালয়ের ঘর ও সাইনবোর্ড তোলা হয়। বিষয়টি সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় খুলনার সাংবাদিক মানিক সাহা উপস্থাপন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর ঐ দিন রাতেই সে এভাবে ২০০০ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে। দলীয়সূত্র মতে, এরপর ১৫-১৬ বছর আগে সাতক্ষীরা পলাশপোল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের পাশে সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোখলেছুর রহমানের দোতলা নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের অফিস করা হয়। কিন্তু সেটিও পরে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকা অফিসে বেশ কিছুদিন জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড দেখা যায়। তবে বর্তমানে সাতক্ষীরা জেলা আওযামী লীগের কোন কার্যালয় নেই। এছাড়া জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা তাদের ব্যক্তিগত অফিসে ও বাসভবনে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সভা-সমাবেশ করেন। এছাড়া দলীয় কার্যক্রম ও আলোচনা সভা পরিচালনা করতে হয় কোন রিসোর্ট ভাড়া করে অথবা কোন হোটেল ভাড়া করে। এছাড়া মাঝে মাঝে উন্মুক্ত ময়দানে আলোচনা সভা করতে হয়। এভাবে সাংগাঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিপাকে পড়তে হয়। দলীয় কার্যালয় না থাকায় নথিপত্র সংরক্ষণেও সমস্যা হয় বলে জানান নেতাকর্মীরা। দলীয় কার্যালয় থাকলে দলটির প্রয়াত বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ছবি, তথ্য ও সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের ছবি সংরক্ষণ করা যায়। দলীয় কার্যালয়ে সাধারণ নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়। দলের সাংগাঠনিক ভিত্তি মজবুত হয়। গণতান্ত্রিক চর্যা অব্যাহত রাখা যায়।

আরও পড়ুন :  বগুড়ায় দূর্ণীতির খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিক গ্রেফতার: বিএমএসএফের প্রতিবাদ

একটি সূত্র জানায়, বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম থেকে প্রতিদিন দলের শতশত নেতাকর্মী সমর্থক জেলা শহরের আসেন বিভিন্ন কাজ নিয়ে। অফিস থাকলে তারা নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারতেন। এতে করে দলের নেতাকর্মী সমর্থকদের মধ্যে মজবুত সেতুবন্ধন তৈরী হতে পারতো। কিন্তু সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জেলা আওয়ামী লীগের স্থায়ী অফিস না থাকলেও দলটির জেলা শহরের বাইরের বিভিন্ন উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটির পাশাপাশি অফিস আছে। সেক্ষেত্রে দেশের সর্ব প্রাচীন রাজনৈতিক দল এবং একটানা ১৩ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের জেলা অফিস না থাকাটা দুঃক্ষজনক।

এদিকে চলতি ২০২১ সালের ৮ জানুয়ারি এক বছর পর সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের ৭৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। এদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই কমিটির অনুমোদন দেন।

এর আগে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা শহীদ আবদুল রাজ্জাক পার্কে অনুষ্ঠিত ত্রি-কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে পুনরায় মুনসুর আহমেদকে সভাপতি ও নজরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। কাউন্সিলের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান তাঁদের নাম ঘোষণা করে তাঁদের তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশনা দেন। এর এক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ জানান, ৭৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৩৯জন সম্পাদকীয় পদ ও ৩৬ জন নির্বাহী সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া কমিটিতে ৩৫ জনের উপদেষ্টা পরিষদ রাখা হয়। কমিটির সভাপতি মুনসুর আহমেদ পহেলা ফেব্রুয়ারি ইন্তেকাল করলে সিনিয়র সহ-সভাপতি একে ফজলুল হককে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে মনোনীত করে কেন্দ্রীয় কমিটি। বর্তমানে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন বিএম নজরুল ইসলাম, মীর মোস্তাক আহমেদ, কাজী এরতেজা হাসান, মো. শহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাফী আহমেদ, মো. আছাদুল হক, মাস্টার নীলকণ্ঠ সোম, শেখ সাহিদ উদ্দীন ও সাহানা মহিদ। সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক যথাক্রমে সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, আসাদুজ্জামান ও আ হ ম তারেক উদ্দীন। আইন সম্পাদক ওসমান গণি, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক মুনছুর আহমেদ, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক আফসার আহমেদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আরাফাত হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অনিত কুমার মুখার্জী, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক গাজী আনিসুজ্জামান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক জিএম ফাত্তাহ, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক শিমুন শামস্, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক সন্তোষ কুমার সরকার, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আবদুল কাদের, শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক শেখ এজাজ আহমেদ, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা পারভীন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. সুব্রত কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম শফিউল আযম, মো. আতাউর রহমান, কাজী আখতার হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু ও কোষাধ্যক্ষ রাজ্যেশ্বর দাস।

আরও পড়ুন :  এবার ছিনতাইকারীর খপ্পরে পরিকল্পনা মন্ত্রী

নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান, ফিরোজ আহমেদ, এসএম জগলুল হায়দার, এসএম শওকত হোসেন, এবিএম মোস্তাকিম, অ্যাডভোকেট মোজহার হোসেন কান্টু, শেখ নুরুল ইসলাম, নরীম আলী মাস্টার, মো. মুজিবুর রহমান, ফিরোজ আহমেদ স্বপন, শেখ নাসেরুল হক, শেখ আব্দুর রশিদ, মো. শাহ্জাহান আলী, মো. শাহাদাত হোসেন, ঘোষ সনৎ কুমার, এসএম আতাউল হক দোলন, মো. মনিরুজ্জামান মনি, শেখ মারুফ হাসান মিঠু, আমিনুল ইসলাম লাল্টু, সাঈদ মেহেদী, মো. আব্দুল কাদের, সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনু, অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু, মীর মোশারফ হোসেন মন্টু, আসাদুজ্জামান অসলে, অ্যাডভোকেট সৈয়দ জিয়াউর রহমান বাচ্চু, এনামুল হক ছোট, ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান সুমন, মিসেস কহিনুর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান নাছিম, শেখ মনিরুল হোসেন মাসুম, নাজমুন নাহার মুন্নি, মো. সামছুর রহমান, মীর জাকির হোসেন, মিসেস মাহফুজা রুবি ও ইসমত আরা বেগম।

তিনি আরও বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় না থাকায় নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা যায়না। দলীয় কার্যালয় অতীব জরুরী। দলীয় কার্যালয় থাকলে দলের নেতা-কর্মীরা উদ্দীপ্ত হয়। সাংগাঠনিক ভিত্তি মজবুত হয়। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করা যায়, সমস্যা সমাধান করা যায়।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান কমিটির পরিচিতি সভা লেকভিউতে অনুষ্ঠিত হবে। এতে করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ও উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন পর আবার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মিলন মেলায় পরিণত হবে পরিচিতি সভা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলীয় কার্যালয় অবশ্যই জরুরী। দলীয় কার্যালয়ের জন্য জমি দেখা হচ্ছে। সুইটএ্যাবল স্থানে জমি পাওয়া গেলেই দলীয় কার্যালয় নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, এর আগে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের জন্য জমি নির্ধারণ ও কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু জমি না পাওয়া এবং বিভিন্ন জটিলতার কারণে সেটি করা যায়নি। তবে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবেই-বলে দৃঢ়তার সাথে বলেন মো: নজরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন :  অভিনেতা মাহমুদ সাজ্জাদের মৃত্যুতে ভোরের পাতা সম্পাদক কাজী এরতেজা হাসানের শোক

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরও খবর




twitt feed

Linkedin profile



Copyright ©2021,joybanglarjoy.com, All Rights Reserved.

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি