দেড় যুগ ধরে ধরে পথেই ঈদ করছেন ৬০ বছরের আঞ্জুরা – জয় বাংলার জয়
  1. admin@prothomaloonlinenews.com : admin :
রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

শিঘ্রই ম্প্রচারে আসছে রিয়ান টেলিভিশন। ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ বাংলা টেলিভিশন "রিয়ান" টেলিভিশন। ‌'দেখিয়ে দাও বাংলাদেশ' স্লোগানকে সামনে রেখে সিঙ্গাপুর, লন্ডন, নিউইয়র্ক ও ঢাকা থেকে চারটি আলাদা বেজ-স্টেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে চ্যানেলটি ♦ ঈদ মানে আনন্দ, তবে আমার জন্য না! যেমন আমার ঈদের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে সে.....

ব্রেকিং নিউজ :
সম্পাদক পদে মনোনয়ন জমা দিলেন যুবলীগ চেয়ারম্যানের স্ত্রী এড.যূথী মনোনয়নপত্র বোর্ডেই জমা হয়নি, অভিযোগ অ্যাডভোকেট যুথির ঢাকা বারের নবনির্বাচিত কমিটিকে এড. নাহিদ সুলতানা যূথীর অভিনন্দন দেবীদ্বারে তানিশা ট্রাভেল এজেন্সি উদ্বোধন দেবীদ্বারে ভোটের আগের রাতেই নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যু সাংবাদিকদের ডাটাবেজ সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ প্রকৃত কারণ বের করা জরুরি, সাংবাদিক হাবীবের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি হত্যা? : সাংবাদিক রায়হান উল্লাহ সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকের মৃত্যু, কুমিল্লায় শোকের মাতম কর্নেল ফারুক খান এমপিকে জসীম উদ্দিন চৌধুরীর শুভেচ্ছা হুইপ স্বপনের পিতার মৃত্যুতে ফারুক খান এমপির শোক

দেড় যুগ ধরে ধরে পথেই ঈদ করছেন ৬০ বছরের আঞ্জুরা

  • প্রকাশকাল: শনিবার, ১৫ মে, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদের উৎসবে সবাই আপনজনের কাছে ছুটে যায়। প্রতিটি পরিবারে সবাই শিশু থেকে বৃদ্ধ ঈদের আনন্দে উল্লাসে মেতে উঠে। ছেলে-মেয়ে মা-বাবার কাছে ছুটে যায়। ঈদের দিনে সবাই স্বজনের কাছাকাছি থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে সেই সুখ সবার কপালে হয়তো জুটে না। যাদের আপনজন বলতে পৃথিবীতে কেউ নেই তারা কীভাবে এ দিনটি পালন করে সেটা কি কখনো ভেবেছেন?

৬০ বছর ছুঁই ছুঁই এমনই একজন বৃদ্ধা আঞ্জুরা খাতুন। ৩০ বছর আগে স্বামী মারা গেলে একাই বগুড়া থেকে ঢাকা চলে আসেন। ঢাকাই এসে প্রথমে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করলেও বয়সের ভারে এক সময় কাজ ছাড়তে বাধ্য হয়। পরে অসহায় হয়ে পথে পথে মানুষের কাছে সাহায্যর জন্য হাত পাততে হয়। তখন থেকেই একাকীত্ব জীবন। স্বামী মৃত্যুর পর সন্তানাদি না থাকায় গেল ১৮ বছর ধরে পথেই ঈদ করছে এ বৃদ্ধা।

রাজধানীর সংসদ ভবনের চারপাশ এলাকায় কখনো খামার বাড়ি মোড়, ফার্মগেট অথবা চন্দ্রিমা উদ্যান এসব জায়গায় প্রতিদিন দেখা মিলবে এ বৃদ্ধার। রোদ, বৃষ্টি কিংবা শীত সবকিছুতে মানিয়ে নিয়েছেন তিনি।

আঞ্জুরা খাতুন বলেন, আমার কোন ছেলে-মেয়ে নেই। স্বামী মারা যান প্রায় ৩০ বছর আগে। কাছের কোন আত্মীয়স্বজন নেই। বেঁচে থাকার জন্য কাজের খোঁজে ঢাকায় আসি। কিছুদিন মানুষের বাড়িতে কাজ করতে পারলে অসুস্থ হলে কাজ করারও সামর্থ্য হারিয়ে ফেলি। তখন থেকে বাইরে সাহায্যের জন্য হাত পাতি। তখন থেকে পথেই আমার জীবন। গত ১৮ বছর ধরে পথেই ঈদ করছি।

এ বৃদ্ধা জানান, রাত হলে মনিপুরী পাড়ার রিক্সার গ্যারেজের পাশেই একটি খোলা জায়গায় থাকেন তিনি। সকাল ৭টার মধ্যে আবার বের হয়ে যান। আশপাশের রাস্তায় যেখানে সুযোগ সুযোগ পেলে বসেন। দিনশেষে যা আসে তা দিয়েই চলেন তিনি। এখন অবস্থা ভালো নেই। ঈদের কারণে শহরে মানুষ নেই। বৃদ্ধা বলেন, কয়েক বছর ধরে শরীরও ভালো যাচ্ছে না। পায়ে ব্যথা। যখন ব্যথা উঠে তখন আরও সহ্য করা যায় না। আমাকে দেখার মতো কেউ নেই। ব্যথা নিয়ে রাস্তায় রাতদিন পড়ে থাকি। মাঝেমধ্যে ব্যথার ট্যাবলেট খাই।

আরও পড়ুন :  দেবীদ্বারে সাংবাদিকসহ একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে জখম

তিনি আরও বলেন, কোথায় যাবো এ বয়সে। মানুষের কাছ থেকে যে সাহায্য পাই সেগুলো দিয়ে ডাল-ভাত খেয়ে কোনরকম থাকি। এখন সেটাও কমে গেছে। গত দুই ঈদে ধরে টাকা পান না। দেশে কি যে হলো! আপসোস করেই বললেন আঞ্জুরা খাতুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ক্যাটাগরীর আরও খবর




twitt feed

Linkedin profile



Copyright ©2021,joybanglarjoy.com, All Rights Reserved.

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি