চান্দিনায় এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, সব ইউনিয়নেই নৌকার ভরাডুবির আশঙ্কা – জয় বাংলার জয়
  1. admin@prothomaloonlinenews.com : admin :
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

শিঘ্রই ম্প্রচারে আসছে রিয়ান টেলিভিশন। ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ বাংলা টেলিভিশন "রিয়ান" টেলিভিশন। ‌'দেখিয়ে দাও বাংলাদেশ' স্লোগানকে সামনে রেখে সিঙ্গাপুর, লন্ডন, নিউইয়র্ক ও ঢাকা থেকে চারটি আলাদা বেজ-স্টেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে চ্যানেলটি ♦ ঈদ মানে আনন্দ, তবে আমার জন্য না! যেমন আমার ঈদের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে সে.....

ব্রেকিং নিউজ :
সম্পাদক পদে মনোনয়ন জমা দিলেন যুবলীগ চেয়ারম্যানের স্ত্রী এড.যূথী মনোনয়নপত্র বোর্ডেই জমা হয়নি, অভিযোগ অ্যাডভোকেট যুথির ঢাকা বারের নবনির্বাচিত কমিটিকে এড. নাহিদ সুলতানা যূথীর অভিনন্দন দেবীদ্বারে তানিশা ট্রাভেল এজেন্সি উদ্বোধন দেবীদ্বারে ভোটের আগের রাতেই নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যু সাংবাদিকদের ডাটাবেজ সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ প্রকৃত কারণ বের করা জরুরি, সাংবাদিক হাবীবের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি হত্যা? : সাংবাদিক রায়হান উল্লাহ সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকের মৃত্যু, কুমিল্লায় শোকের মাতম কর্নেল ফারুক খান এমপিকে জসীম উদ্দিন চৌধুরীর শুভেচ্ছা হুইপ স্বপনের পিতার মৃত্যুতে ফারুক খান এমপির শোক

চান্দিনায় এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, সব ইউনিয়নেই নৌকার ভরাডুবির আশঙ্কা

  • প্রকাশকাল: মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২২

শরিফুল আলম চৌধুরী, ভ্রাম্যমান প্রতিবেদক: কুমিল্লার চান্দিনায় ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় কোন্দলের কারণে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রতিপক্ষ হয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন দলের ২২ বিদ্রোহী প্রার্থী। আওয়ামী লীগের দুটি পক্ষের বিরোধের জেরে নৌকা ডুবতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। দুটি পক্ষের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওই আসনের প্রয়াত এমপি অধ্যাপক আলী আশরাফের ছেলে ও এফবিসিসিআই পরিচালক মো. মুনতাকিম আশরাফ টিটু। অন্য পক্ষে রয়েছেন এ আসনের উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। ইউপি নির্বাচন কেন্দ্র করে সাংসদ প্রাণ গোপাল দত্ত এবং দলের উপজেলা সভাপতি টিটু দুই মেরুতে অবস্থান করায় ১১ ইউনিয়নে নৌকার বিপক্ষে মাঠে রয়েছেন (স্বতন্ত্র) বিদ্রোহী প্রার্থীরা। আগামী ৫ জানুয়ারি এ উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সাংসদ অধ্যাপক আলী আশরাফের মৃত্যুর পর গত বছরের ৭ অক্টোবর উপনির্বাচনে ডা. প্রাণ গোপাল বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে প্রয়াত সাংসদ আলী আশরাফের ছেলে টিটুও নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন। দলীয় সূত্র বলছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচন ঘিরে উভয়ের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। নির্বাচনে ডা. প্রাণ গোপাল সবক’টি ইউনিয়নে তার অনুসারীদের জন্য নৌকা প্রতীক চাইলেও মাধাইয়া, দোল্লাই নবাবপুর ও জোয়াগ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন। অপর ৯টি ইউনিয়নে নৌকা পান প্রয়াত আশরাফপুত্র টিটুর অনুসারীরা। তাই উভয়ের রাজনৈতিক দূরত্বে মাঠে আসেন সাংসদের অনুসারী বিদ্রোহীরা। সব মিলে বর্তমানে ১১টি ইউনিয়নে ২২ জন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন।

গত ১ জানুয়ারি দলের সভানেত্রীর কাছে পাঠানো বিদ্রোহী প্রার্থীদের তালিকা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শুহিলপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইমাম হোসেন সরকার। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য রফিজ উদ্দিন, উপজেলা কৃষক লীগের শিল্পবিষয়ক সম্পাদক কামাল সরকার, ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য জোনাঈদ ভূঁইয়া বাবু। বাতাঘাসী ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী খোরশেদ আলম। এখানে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আ ন ম কামরুজ্জামান ভূঁইয়া। মাধাইয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মজিবুর রহমান। এখানে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি অহিদ উল্লাহ। কেরণখাল ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হারুন অর-রশিদ। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগ কর্মী সুমন ভূঁইয়া ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. সামছুল আলম। বাড়েরা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম, বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগ কর্মী আহসান হাবীব ভূঁইয়া। এতবারপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী একেএম মামুনুর রশিদ। বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক মো. ইউসুফ ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি সহিদুল ইসলাম সিকদার। বরকইট ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আবুল হাসেম। বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগ কর্মী মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার, সদস্য বিল্লাল হোসেন, আওয়ামী লীগ কর্মী প্রবাসী মো. সেলিম। মাইজখার ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী মো. জামাল উদ্দীন। ওই ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ সেলিম প্রধান। গল্লাই ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান গণি। বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ফজলুল করিম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম। দোল্লাই-নবাবপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী মো. সাহাব উদ্দিন। বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়েত আলী, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজালাল হোসেন মোল্লা। জোয়াগ ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আউয়াল খান। বিদ্রোহী প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা শাহেন শাহ মিঞা।

আরও পড়ুন :  স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা আজ

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মুনতাকিম আশরাফ টিটু বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নেই নৌকার প্রতিপক্ষ দলের বিদ্রোহীদের সঙ্গে সমঝোতা করতে চেষ্টা করা হয়। এ নিয়ে সাংসদ ডা. প্রাণ গোপালকেও একসঙ্গে বসার জন্য অনুরোধ করা হয়, কিন্তু তিনি আমার আহ্বানে সাড়া দেননি। বসলে হয়তো ঐকমত্যে পৌঁছা যেত। তিনি আরও বলেন, গত ২২ ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় দলের গঠনতন্ত্র অনুসারে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিস্কারের প্রস্তাবনা গত ১ জানুয়ারি দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সাংসদ ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগ কিংবা এর অঙ্গ সংগঠনে তিনি ও তার পরিবারের কেউ নেই, সবই টিটুদের নিয়ন্ত্রণে। তাই কারও সঙ্গে তার কোন্দলও নেই। তিনি বলেন, দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করার আগে আমি টিটুকে বলেছিলাম, একসঙ্গে বসে প্রার্থী ঠিক করব; কিন্তু আমার আহ্বানে সে সাড়া দেয়নি। তিনি আরও বলেন, রোববার রাতে টিটু ফেসবুক লাইভে এসে বলেছে, ‘আমি নৌকা প্রতীক ফেল করাতে বিদ্রোহীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি এবং প্রশাসনকে এ বিষয়ে চাপ দিচ্ছি’- এ কথা আদৌ সত্য নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ক্যাটাগরীর আরও খবর




twitt feed

Linkedin profile



Copyright ©2021,joybanglarjoy.com, All Rights Reserved.

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি