১৯৮৩ সালে “ওরুম” ভাঁজা দেখতে বাংলাদেশে এসেছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ – জয় বাংলার জয়
  1. admin@prothomaloonlinenews.com : admin :
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তিঃ

শিঘ্রই ম্প্রচারে আসছে রিয়ান টেলিভিশন। ২৪ ঘণ্টার পূর্ণাঙ্গ বাংলা টেলিভিশন "রিয়ান" টেলিভিশন। ‌'দেখিয়ে দাও বাংলাদেশ' স্লোগানকে সামনে রেখে সিঙ্গাপুর, লন্ডন, নিউইয়র্ক ও ঢাকা থেকে চারটি আলাদা বেজ-স্টেশনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে চ্যানেলটি ♦ ঈদ মানে আনন্দ, তবে আমার জন্য না! যেমন আমার ঈদের আনন্দ কেড়ে নিয়েছে সে.....

ব্রেকিং নিউজ :
মুরাদনগরের মোচাগরা গ্রামের কারাবন্দী বাদশা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন ডিএনএ টেস্ট ভিন্ন হওয়ায় ১১ মাস ২১ দিন পর দেবীদ্বারের সেই সোহাগ জামিনে মুক্ত ফরিদপুর থেকে সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেল সেই রহিমা বেগমকে কুমিল্লার ছাত্রলীগ নেতা আবু কাউছার ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার দেবীদ্বারে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় অধিদপ্তরের তিন কর্মকর্তাসহ আহত ৮, গ্রেপ্তার ৭ কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের নারীরা, জয়ের খবর জানেনা বাফুফের ফেসবুক পেজ কুমিল্লা জেলা পরিষদে আওয়ামীলীগ প্রার্থী কে এই বীর মুক্তিযুদ্ধা বাবলু ১৯৮৩ সালে “ওরুম” ভাঁজা দেখতে বাংলাদেশে এসেছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে দেবীদ্বারে ওয়ার্ড সদস্য হতে চান প্রবীণ সাংবাদিক বাশার

১৯৮৩ সালে “ওরুম” ভাঁজা দেখতে বাংলাদেশে এসেছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ

  • প্রকাশকাল: বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী: সিংহাসনে বসার ৭০ বছর পূর্তি হয়েছে বৃটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের। ১৯৫৩ সালের ২ জুন তার রাজ্যাভিষেক হয়। এই সত্তর বছরে বিশ্বের নানা প্রান্তে গিয়েছেন রানি। এসেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশেও।

১৯৮৩ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে চার দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। এটিই স্বাধীন বাংলাদেশে তার একমাত্র সফর।

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছিলেন।

পাশাপাশি একটি স্বনির্ভর গ্রাম দেখতে ১৬ নভেম্বর তিনি ঢাকা থেকে ট্রেনে গাজীপুরের শ্রীপুর স্টেশনে যান। এ সময় তার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এরশাদও সফরসঙ্গী ছিলেন। স্টেশন থেকে গাড়িতে চেপে শ্রীপুর উপজেলার বৈরাগীরচালা গ্রামে যান।

রাণীর সফর উপলক্ষে গ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছিল। কাঁচা রাস্তাগুলো রাতারাতি পাকা করা হয়। আর গ্রামে প্রথমবার বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়, যা ওই গ্রামে কলকারখানা গড়ে উঠতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে।

গ্রামের একটি কাঁঠাল বাগানে স্থানীয় নারীদের সঙ্গে গল্প করেন রানি। এ সময় এক নারী রানিকে রূপার চাবি উপহার দিয়েছিলেন। ওই চাবিটি প্রতীকি অর্থে দেওয়া হয়। এর অর্থ হচ্ছে যেকোনো সময় রানি বৈরাগীরচালা গ্রামে আসতে পারবেন। তার জন্য গ্রামের সব দরজা সর্বদা খোলা।

ওই গ্রামে রানির যাওয়ার মূল কারণ ছিল তিনি একটি স্বনির্ভর গ্রাম পরিদর্শন করতে চেয়েছিলেন। রানিকে পুকুরে মাছ ধরা, মুড়ি বানানোসহ বিভিন্ন গ্রামীণ শিল্প দেখানো হয়।

এখনও রাণীর সফর গর্বভরে স্মরণ করেন ওই গ্রামের মানুষ।

আরও পড়ুন :  Journalist Shariful Alam Chowdhury is receiving the honor of the United Nations

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ক্যাটাগরীর আরও খবর




twitt feed

Linkedin profile



Copyright ©2021,joybanglarjoy.com, All Rights Reserved.

ডিজাইনঃ নাগরিক আইটি